প্রথম ঘণ্টার উত্থান ম্লান, শেষদিকে ব্যাপক দরপতনে চাপে ঢাকা শেয়ারবাজার
ঢাকা:
বুধবারের লেনদেনের শুরুতে ডিএসইতে অধিকাংশ তালিকাভুক্ত শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়তে থাকে। এর ফলে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয় এবং একপর্যায়ে আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৪০ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
তবে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বাজারের গতিপথে পরিবর্তন দেখা দেয়। একের পর এক শেয়ার ও ইউনিট দরবৃদ্ধির তালিকা থেকে বেরিয়ে দরপতনের তালিকায় চলে যেতে থাকে। শেষ ঘণ্টায় বিক্রির চাপ আরও বাড়লে বাজারে ব্যাপক দরপতন হয় এবং দিন শেষে সূচকগুলোও নিম্নমুখী অবস্থায় লেনদেন শেষ করে।
অধিকাংশ শেয়ারে দরপতন
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে মোট ১১৯টি তালিকাভুক্ত শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২৩১টি ইস্যুর দাম কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
বেশিরভাগ ইস্যুর দর কমায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৮৯৭ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসই শরিয়াহ ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৮০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনও কমেছে
সূচকের পতনের পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। বুধবার বাজারটিতে মোট ১ হাজার ৭৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ১১৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক কার্যদিবসের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৪১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
চট্টগ্রাম বাজারে সূচক বেড়েছে
ঢাকার বাজারের বিপরীতে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বুধবার সামগ্রিক সূচক সিএএসপিআই ৩৭ পয়েন্ট বেড়েছে।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৩৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯২টির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ১১৪টির দাম কমেছে এবং ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।
তবে সূচক বাড়লেও চট্টগ্রাম বাজারে লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বুধবার সিএসইতে মোট ১৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যেখানে আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭১ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

Comments
Post a Comment